বাংলাদেশ পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম

আগের সময়ে পাসপোর্ট বানাতে গেলে অনেক কষ্ট হতো। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়ানো, ফর্ম কিনা, তারপর ফর্মে ভুল হলে আবার নতুন করে লিখা - অনেক ঝামেলা ছিল। অনেক সময় দাল ধরেও টাকা নষ্ট হতো।

কিন্তু এখন সময় বদলাইছে। সরকার অনলাইন সিস্টেম চালু করছে। এখন ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পিউটার দিয়া পাসপোর্টের আবেদন করা যায়। e-passport এর ওয়েবসাইটে গেলে সব স্টেপ দেওয়া আছে। টাকা জমাও বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া যায়। এতে সময়ও কম লাগে, টাকাও কম খরচ হয়।

সূচিপত্র: বাংলাদেশ পাসপোর্ট অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণের নিয়ম

পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে ঢোকার নিয়ম  

ভাই আপনি যদি 2026 সালে পাসপোর্ট বানাতে চান তাইলে সবার আগে সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো http://www.epassport.gov.bd। Google এ গিয়ে এই নাম লিখে সার্চ দিলেই প্রথমে আসবে। সাবধান ভাই, নকল ওয়েবসাইটে ঢুকবেন না। নকল সাইটে তথ্য দিলে আপনার টাকা মেরে দিবে। আসল সাইটের লিংকের পাশে তালার চিহ্ন থাকবে। ওয়েবসাইটে ঢুকলেই উপরে মেনু দেখবেন। মোবাইল দিয়েও সাইট ওপেন হয়। 

তবে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ দিয়ে করলে ভালো। কারণ ফর্ম অনেক বড়। মোবাইলে ছোট দেখায়, ভুল হওয়ার চান্স থাকে। সাইটে ঢোকার পর উপরে ডানে "Apply Online" বাটন দেখবেন। ওইটায় ক্লিক করলেই আবেদন ফর্ম ওপেন হবে। সাইটটা সরকারি তাই মাঝে মাঝে স্লো থাকে। বিকাল 3টা থেকে 5টা পর্যন্ত সার্ভার ব্যস্ত থাকে। তাই রাত 10টার পর বা সকাল 8টার আগে ঢুকলে দ্রুত কাজ হয়। ইন্টারনেট কানেকশন ভালো রাখবেন। নইলে ফর্ম ফিলাপ করতে ডাটা চলে গেলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।

একাউন্ট খোলা ও লগইন করা  

ভাই ওয়েবসাইটে ঢোকার পর আপনাকে একটা একাউন্ট খুলতে হবে। কারণ একবারে ফর্ম পূরণ শেষ না হলে পরে আবার লগইন করে কাজ করতে পারবেন। একাউন্ট খুলতে "Register" বাটনে ক্লিক করেন। ক্লিক করার পর আপনার ইমেইল, মোবাইল নাম্বার, পাসওয়ার্ড চাইবে। নিজের একটিভ জিমেইল দেন। কারণ ভেরিফিকেশন লিংক ওইখানে যাবে। মোবাইল নাম্বারও নিজের নামে রেজিস্টার করা দেন। OTP কোড আসবে। 

পাসওয়ার্ড দেওয়ার সময় বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নাম্বার, চিহ্ন সব দিবেন। যেমন Passport@2026। পাসওয়ার্ড ডায়েরিতে লিখে রাখেন ভাই। হারায় গেলে পরে বিপদ। রেজিস্টার করার পর জিমেইলে একটা লিংক যাবে। ওই লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফাই করেন। ভেরিফাই শেষ হলে আপনি ইউজার নাম আর পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারবেন। লগইন করলেই "Apply for e-Passport" অপশন পাবেন। একাউন্ট খুলা একবারই লাগে। পরে পাসপোর্ট রিনিউ করলেও এই একাউন্ট দিয়াই কাজ হবে। তাই তথ্য ঠিকমতো দেন।

আবেদনের ধরণ সিলেক্ট করা  

ভাই লগইন করার পর প্রথমেই জানতে চাইবে আপনি কি ধরণের পাসপোর্ট বানাবেন। এখানে 3টা অপশন থাকে। প্রথম অপশন হলো নতুন পাসপোর্ট। যাদের আগে কখনো পাসপোর্ট ছিল না তারা এটা সিলেক্ট করবেন। দ্বিতীয় অপশন হলো রি-ইস্যু। যাদের পুরাতন পাসপোর্ট আছে কিন্তু মেয়াদ শেষ বা পাতা শেষ তারা এটা দিবেন। তৃতীয় অপশন হলো ডাটা চেঞ্জ। নাম বয়স ঠিকানা ভুল থাকলে এটা সিলেক্ট করবেন। 

তারপর জানতে চাইবে কত পাতার পাসপোর্ট লাগবে। 48 পাতা আর 64 পাতা। 48 পাতা সাধারণ মানুষের জন্য যথেষ্ট। যারা বিদেশে বেশি যাতায়াত করেন তারা 64 পাতা নিতে পারেন। এরপর ডেলিভারি টাইপ সিলেক্ট করবেন। রেগুলার 15 দিন, এক্সপ্রেস 7 দিন, সুপার এক্সপ্রেস 2 দিন। টাকা বেশি দিলে দ্রুত পাবেন। আপনার তাড়া না থাকলে রেগুলার সিলেক্ট করেন। টাকা বাঁচবে। সব সিলেক্ট করে নেক্সট বাটনে চাপ দেন। এই স্টেপে ভুল করলে পরে টাকা বেশি লাগবে। তাই বুঝে সিলেক্ট করেন ভাই।

আরো পড়ুন :অনলাইনে স্টুডেন্ট কার্ড আবেদন

 নিজের ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া  

ভাই এটা হলো ফর্মের সবচেয়ে জরুরি অংশ। এখানে আপনার নিজের সব তথ্য দিতে হবে। প্রথমে নাম দিবেন। NID কার্ডে আপনার নাম যেভাবে আছে হুবহু ওইভাবে দিবেন। একটা অক্ষরও এদিক সেদিক করবেন না। নামের বান ভুল হলে পাসপোর্ট আটকে যাবে। তারপর জন্ম তারিখ দিবেন। NID দেখে দেখে দেন। জন্ম তারিখ ভুল দিলে বয়স কম বেশি দেখাবে। তারপর লিঙ্গ সিলেক্ট করেন। 

পুরুষ না মহিলা। বৈবাহিক অবস্থা সিলেক্ট করেন। বিবাহিত না অবিবাহিত। NID নাম্বার দেন। 10 ডিজিট হলে সামনে জন্ম সাল বসান। জন্মস্থান লিখেন। জেলা থানা গ্রাম সব NID অনুযায়ী দেন। মায়ের নাম বাবার নামও NID অনুযায়ী দিবেন। এখানে একটা ভুল হলে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলা হবে। তাই 3 বার চেক করে তারপর নেক্সট দেন। তথ্য দেওয়ার সময় তাড়াহুড়া করবেন না ভাই। ধীরে সুস্থে NID দেখে দেখে দেন।

বাবা-মা ও স্বামী-স্ত্রীর তথ্য দেওয়া  

ভাই নিজের তথ্য দেওয়ার পর ফর্মে বাবা মায়ের তথ্য দিতে হবে। এটা খুব জরুরি স্টেপ। কারণ পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় বাবা মায়ের তথ্য ক্রস চেক করে। প্রথমে বাবার নাম লিখবেন। আপনার NID কার্ডে বাবার নাম যেভাবে লেখা আছে হুবহু ওইভাবে দিবেন। একটা অক্ষরও এদিক সেদিক করবেন না। আপনার NID তে "আব্দুল করিম" থাকলে এখানেও "আব্দুল করিম" লিখবেন। "আবদুল করিম" লিখলে মিলবে না। তারপর বাবার NID নাম্বার দিবেন। বাবা মারা গেলেও NID নাম্বার দিতে হবে। মৃত লিখে দিবেন। বাবার জন্ম তারিখ দিবেন। NID দেখে দেখে দেন। তারপর মায়ের নাম লিখবেন। মায়ের নামও NID অনুযায়ী দিবেন। মায়ের NID নাম্বার আর জন্ম তারিখ দিবেন। মা মারা গেলেও একই নিয়ম। 

এরপর আসবে স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য। আপনি বিবাহিত হলে আপনার স্বামী বা স্ত্রীর নাম, NID নাম্বার, জন্ম তারিখ, পেশা সব দিতে হবে। বিয়ের কাবিননামা দেখে দেখে তথ্য দিবেন। যাতে বান মিল থাকে। অবিবাহিত হলে "Not Applicable" সিলেক্ট করবেন। এই জায়গায় অনেক মানুষ ভুল করে। বাবা মায়ের নামের বান আপনার NID এর সাথে না মিললে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলা করে। তখন টাকা চায়। তাই 3 বার চেক করে তথ্য দেন ভাই। সব তথ্য দেওয়ার পর "Save and Next" বাটনে চাপ দেন। এই স্টেপ পার হলেই আপনি অর্ধেক কাজ শেষ করে ফেলবেন।

ঠিকানা পূরণের নিয়ম  

ভাই ঠিকানা হলো পাসপোর্টের আরেকটা জরুরি অংশ। এখানে দুইটা ঠিকানা দিতে হয়। একটা হলো বর্তমান ঠিকানা আরেকটা হলো স্থায়ী ঠিকানা। বর্তমান ঠিকানা মানে আপনি এখন কোথায় থাকেন। বাসা নাম্বার, রোড নাম্বার, এলাকা, থানা, জেলা সব দিবেন। বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দেখে দেখে দিলে ভুল হবে না। স্থায়ী ঠিকানা মানে আপনার NID তে যে ঠিকানা আছে ওইটা। গ্রামের বাড়ির ঠিকানা। 

অনেকের বর্তমান আর স্থায়ী ঠিকানা একই হয়। তখন "Same as present address" টিক দিলেই হবে। ঠিকানা ভুল দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে না। পুলিশ আপনার বাসায় যাবে। বাসা খুঁজে না পেলে রিপোর্ট নেগেটিভ দিবে। তখন পাসপোর্ট আটকে যাবে। তাই মোবাইলে Google Map ওপেন করে আপনার বাসার ঠিকানা মিলায় নেন। পোস্ট কোডও ঠিকমতো দিবেন। সব ঠিক থাকলে নেক্সট চাপ দেন ভাই।

আরো পড়ুন :মোবাইল দিয়ে পাসপোর্ট সাইজ ছবি বানানো

পেশা ও শিক্ষাগত তথ্য দেওয়া  

ভাই এরপর আপনার পেশা আর লেখাপড়ার তথ্য দিতে হবে। পেশার ঘরে আপনি ছাত্র হলে ছাত্র দেন। চাকরি করলে প্রাইভেট সার্ভিস বা গভমেন্ট সার্ভিস দেন। ব্যবসা করলে বিজনেস দেন। গৃহিণী হলে হাউজ ওয়াইফ দেন। বেকার হলে আদার্স দেন। মিথ্যা পেশা দিবেন না। সরকারি চাকরি করলে NOC লাগবে। তাই সত্যি তথ্য দেন। পেশা সিলেক্ট করার পর প্রতিষ্ঠানের নাম দিতে হবে।

ছাত্র হলে স্কুল কলেজের নাম। চাকরি করলে অফিসের নাম। শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে আপনার সর্বশেষ সার্টিফিকেট দেন। SSC, HSC, Honours যেটা আছে ওইটা। সার্টিফিকেটে পাসের সাল লিখেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে "None" সিলেক্ট করেন। এই তথ্য পাসপোর্টে প্রিন্ট হবে না। শুধু রেকর্ডের জন্য নেয়। তবে ভুল তথ্য দিলে পরে বিদেশে ভিসা করতে ঝামেলা হয়। তাই সার্টিফিকেট দেখে দেখে দেন ভাই।

ছবি ও সই আপলোড করা  

ভাই সব তথ্য দেওয়ার পর আপনার ছবি আর সিগনেচার আপলোড করতে হবে। ছবির নিয়ম হলো পাসপোর্ট সাইজ, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, কান দেখা যাবে, চশমা থাকলে খুলে তুলবেন। ছবি স্টুডিও থেকে তুলে স্ক্যান করে নেন। মোবাইল দিয়ে তুললে হবে না। ছবির সাইজ 300KB এর কম, JPG ফরম্যাট। সিগনেচারের নিয়ম হলো সাদা কাগজে কালো কলম দিয়ে সিগনেচার করবেন। 

তারপর স্ক্যান করবেন। সিগনেচার যেন NID এর সিগনেচারের সাথে মিল থাকে। আলাদা সিগনেচার দিলে পুলিশ ঝামেলা করে। আপলোড করার পর ছবি আর সিগনেচার প্রিভিউ দেখায়। ঠিক আছে কিনা চেক করেন। ছবি ঝাপসা হলে বা বাঁকা হলে বাদ দিয়ে আবার আপলোড দেন। এই ছবি আর সিগনেচারই আপনার পাসপোর্টে প্রিন্ট হবে। তাই ভালো করে দেন ভাই। একবার প্রিন্ট হয়ে গেলে চেঞ্জ করা যায় না।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড  

ভাই ছবি সিগনেচার দেওয়ার পর NID আর অন্যান্য কাগজ আপলোড করতে হবে। প্রথমে NID এর সামনে পিছনের ছবি আপলোড দেন। ছবি ক্লিয়ার হতে হবে। তারপর পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে ওইটার স্ক্যান কপি দেন। নতুন পাসপোর্ট হলে লাগবে না। বিদ্যুৎ বিল বা পানির বিলের কাগজ দেন ঠিকানার প্রমাণের জন্য। স্টুডেন্ট হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড। চাকরিজীবী হলে অফিসের আইডি কার্ড। 

সব কাগজ PDF বা JPG ফরম্যাটে আপলোড দিবেন। প্রতিটা ফাইলের সাইজ 1MB এর কম হতে হবে। বড় ফাইল নিবে না। কাগজ স্ক্যান করার সময় সোজা করে স্ক্যান করবেন। বাঁকা কাগজ বাদ দিয়ে দেয়। সব কাগজ আপলোড শেষ হলে একটা লিস্ট দেখাবে। ওই লিস্ট চেক করেন। কোনো কাগজ বাদ গেলে আবার আপলোড দেন। কাগজ ঠিক না থাকলে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ঝামেলা করবে ভাই।

আরো পড়ুন :এক ক্লিকে ব্যাকগ্রাউন্ড ডিলিট

ফি জমা দেওয়ার নিয়ম  

ভাই সব তথ্য আর কাগজ দেওয়ার পর লাস্ট স্টেপ হলো ফি জমা দেওয়া। অনলাইনে ফি জমা দিতে পারবেন। বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক কার্ড সব অপশন আছে। 48 পাতা 5 বছরের রেগুলার পাসপোর্টের ফি 4025 টাকা। এক্সপ্রেস 6305 টাকা। সুপার এক্সপ্রেস 8625 টাকা। 64 পাতার দাম আরো বেশি। আপনি যে ডেলিভারি সিলেক্ট করছেন ওই অনুযায়ী টাকা কাটবে। 

পেমেন্ট অপশনে গিয়ে বিকাশ সিলেক্ট করলে আপনার নাম্বারে কল আসবে। পিন দিলেই টাকা কেটে নিবে। পেমেন্ট সাকসেস হলে একটা রিসিট ডাউনলোড হবে। ওই রিসিট প্রিন্ট করে রাখবেন। ব্যাংকে গিয়েও টাকা জমা দিতে পারবেন। সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংকে জমা দেওয়া যায়। টাকা জমা না দিলে আপনার আবেদন সাবমিট হবে না ভাই। তাই ফি আগে জমা দেন।

আবেদন Submit ও সামারি প্রিন্ট  

ভাই ফি জমা দেওয়া শেষ হলে আপনার সামনে পুরা আবেদনের সামারি আসবে। ওইখানে আপনার সব তথ্য এক পাতায় দেখাবে। নাম, ঠিকানা, বাবা মায়ের নাম সব। এখন আপনার কাজ হলো এই সামারি 3 বার চেক করা। একটা অক্ষর ভুল থাকলেও পাসপোর্ট আটকে যাবে। নামের বান, জন্ম তারিখ, NID নাম্বার সব মিলায় নেন। ভুল পেলে "Edit" বাটনে ক্লিক করে ঠিক করেন।

 সব ঠিক থাকলে "Submit" বাটনে চাপ দেন। সাবমিট করার পর আপনার আবেদন লক হয়ে যাবে। আর এডিট করতে পারবেন না। সাবমিট করার সাথে একটা PDF ফাইল ডাউনলোড হবে। ওইটার নাম সামারি কপি। এই কপি কালার প্রিন্ট করে নিবেন। এই প্রিন্ট কপি আর কাগজপত্র নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে। ফিঙ্গার আর ছবি তুলতে। সামারি ছাড়া অফিসে ঢুকতে দিবে না ভাই।

শেষ কথা - ভুল হলে পাসপোর্ট আটকে যাবে  

ভাই সবশেষে একটা কথা মনে রাখবেন। পাসপোর্টের ফর্মে একটা অক্ষর ভুল হলেও আপনার পাসপোর্ট 6 মাস আটকে থাকবে। নামের বান ভুল, জন্ম তারিখ ভুল, বাবার নাম ভুল - এই 3টা ভুলের জন্য 90 ভাগ পাসপোর্ট আটকায়। তাই সাবমিট করার আগে 10 বার চেক করেন। NID দেখে দেখে দেন। দাল ধরবেন না ভাই। দাল 5 হাজার টাকা নেয়। নিজে করলে সরকারি ফি 4025 টাকা।

সাবমিট করার পর কোনো তথ্য চেঞ্জ করতে চাইলে আবার নতুন আবেদন করতে হবে। টাকাও নতুন করে দিতে হবে। তাই সাবধান। পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় সামারি কপি, NID এর ফটোকপি, বিদ্যুৎ বিলের কপি, পুরাতন পাসপোর্টের কপি সব নিয়ে যাবেন। ফিঙ্গার আর ছবি তোলার পর 15 দিন ওয়েট করেন। SMS আসলে পাসপোর্ট নিয়ে আসবেন। শুভকামনা রইলো ভাই।


এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

জুঁই ম্যাক্সনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url