ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়
আগের দিনে ব্যাংক একাউন্ট খুলতে মানুষকে সকাল থেকে ব্যাংকে লাইন ধরতে হতো। ফর্ম নেওয়া, বাসায় এনে ফিলাপ করা, আবার ব্যাংকে জমা দেওয়া—কত ঝামেলা ছিল। কিন্তু এখন সময় পাল্টাইছে।
প্রযুক্তির যুগে সবকিছু সহজ হয়ে গেছে। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড CellFin নামের একটা অ্যাপ বানাইছে যার মাধ্যমে ঘরে বসেই মাত্র ১০ মিনিটে একাউন্ট খোলা যায়। ব্যাংকে যাওয়ার ঝক্কি নাই।
সূচিপত্র - ইসলামী ব্যাংকে অনলাইনে একাউন্ট খোলার সহজ উপায়
- ইসলামী ব্যাংক অনলাইন একাউন্ট কি
- একাউন্ট খোলার শর্ত
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- CellFin অ্যাপ ডাউনলোড করার নিয়ম
- মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন
- NID দিয়ে তথ্য পূরণ
- পেশা ও আয়ের উৎস দেওয়া
- ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড
- নমিনি যুক্ত করার নিয়ম
- ভিডিও ভেরিফিকেশন করা
- একাউন্ট নাম্বার পাওয়া
- ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড নেওয়া
- শেষ কথা
ইসলামী ব্যাংকের অনলাইন একাউন্ট আসলে কি জিনিস
ভাই আপনি কি জানেন এখন ঘরে বসেই ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায়? আগে ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে গেলে সকাল 10টায় লাইনে দাঁড়ানো লাগতো। ফর্ম নাও, ফিলাপ করো, অফিসারের সিগনেচার নাও - সারাদিন শেষ। অনেক সময় ভুল হলে আবার নতুন ফর্ম কিনতে হতো। গরমের মধ্যে ঘেমে একাকার। কিন্তু এখন 2026 সালে এসে ইসলামী ব্যাংক CellFin অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন একাউন্ট খোলার সিস্টেম চালু করছে। এই একাউন্ট খুলতে আপনার বাসা থেকে বের হওয়া লাগবে না। শুধু একটা স্মার্টফোন, NID কার্ড আর ইন্টারনেট লাগবে।
10 মিনিটের মধ্যে আপনি একাউন্ট খুলে ফেলতে পারবেন। এই অনলাইন একাউন্ট হলো সেভিংস একাউন্টের মতোই। আপনি টাকা জমা রাখতে পারবেন, বিকাশ নগদে ট্রান্সফার করতে পারবেন, অনলাইনে বিল দিতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো সুদ নাই। 100 ভাগ শরিয়াহ ভিত্তিক। তাই যারা সুদ ছাড়া ব্যাংকিং করতে চান তাদের জন্য এটা বেস্ট। একাউন্ট খোলার পর সাথে ভার্চুয়াল কার্ড পাবেন। দারাজ ফুডপান্ডায় পেমেন্ট করতে পারবেন। ব্রাঞ্চে যাওয়া লাগবে না। তাই সময় বাঁচাতে আর ঝামেলা ছাড়া একাউন্ট করতে চাইলে CellFin দিয়ে অনলাইন একাউন্ট খুলে নেন ভাই।
এই হিসাব খুলতে কি শর্ত লাগে
ভাই ইসলামী ব্যাংকে অনলাইন একাউন্ট খুলতে বেশি শর্ত নাই। মাত্র 4টা শর্ত মানলেই হবে। প্রথম শর্ত হলো বয়স 18 বছর হতে হবে। 18 এর নিচে হলে NID নাই তাই একাউন্ট খুলতে পারবেন না। দ্বিতীয় শর্ত হলো আপনার নিজের নামে NID কার্ড থাকতে হবে। জন্ম নিবন্ধন দিয়ে হবে না ভাই। NID ছাড়া সিস্টেম ভেরিফাই করবে না। তৃতীয় শর্ত হলো আপনার নিজের নামে একটা সিম কার্ড লাগবে। OTP কোড আসবে ওই সিমে। অন্যের সিম দিলে পরে ঝামেলা হবে।
চতুর্থ শর্ত হলো আপনার মুখের ছবি আর ভিডিও লাগবে। কারণ ব্যাংক চায় আপনি আসল মানুষ কিনা চেক করতে। তাই ফেইক NID দিয়ে কাজ হবে না। আরেকটা জিনিস, আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। বিদেশি পাসপোর্ট দিয়ে হবে না। যদি আপনার আগের কোনো একাউন্ট ইসলামী ব্যাংকে থাকে তাইলে অনলাইনে নতুন একাউন্ট খুলতে পারবেন না। একজনের একটাই একাউন্ট। এই 4টা শর্ত পূরণ করলে আপনি 10 মিনিটে একাউন্ট পেয়ে যাবেন। কোনো টাকা জমা দেওয়া লাগবে না। একাউন্ট খুলা একদম ফ্রি।
হিসাব খুলার জন্য কি জিনিস রেডি রাখতে হবে
ভাই একাউন্ট খুলতে ব্যাংকে গেলে 10 রকম কাগজ লাগতো। ছবি লাগতো, বিদ্যুৎ বিলের কাগজ লাগতো, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট লাগতো। কিন্তু অনলাইনে মাত্র 3টা জিনিস লাগে। প্রথম জিনিস হলো NID কার্ড। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র। সামনে পিছনে দুই পাশের ছবি তুলে রাখবেন মোবাইলে। ছবি যেন ঝাপসা না হয়। দিনের আলোতে তুলবেন। দ্বিতীয় জিনিস হলো নিজের একটা সেলফি। সাদা দেওয়ালের সামনে দাঁড়ায়ে তুলবেন।
চশমা টুপি খুলে তুলবেন। মুখ যেন স্পষ্ট দেখা যায়। তৃতীয় জিনিস হলো নিজের সিগনেচার। সাদা কাগজে কালো কলম দিয়ে সিগনেচার করে ছবি তুলবেন। এই 3টা ছবি ছাড়া আর কিছু লাগবে না। বিদ্যুৎ বিল, খতিয়ান, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট কিছুই লাগবে না ভাই। আর লাগবে আপনার নিজের মোবাইল নাম্বার আর একটা জিমেইল। জিমেইল না থাকলে খুলে নেন। এই 5টা জিনিস রেডি করে তারপর CellFin অ্যাপে ঢুকবেন। নইলে মাঝখানে আটকে যাবেন।
আরো পড়ুন :TIN সার্টিফিকেট ডাউনলোড করুন 2026
CellFin অ্যাপ কিভাবে নামাবা
ভাই CellFin হলো ইসলামী ব্যাংকের অফিসিয়াল অ্যাপ। এই অ্যাপ দিয়েই একাউন্ট খুলবেন। প্রথমে আপনার মোবাইলের প্লে স্টোরে যান। সার্চ বারে লিখেন CellFin। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লেখা যে অ্যাপটা আসবে ওইটা ডাউনলোড করেন। দেখবেন অ্যাপের লোগো নীল রঙের। নকল অ্যাপ ডাউনলোড করবেন না ভাই। নকল অ্যাপে তথ্য দিলে টাকা চুরি হয়ে যাবে। আসল অ্যাপের ডাউনলোড 1 কোটি প্লাস। রেটিং 4.5 স্টার।
অ্যাপ ডাউনলোড শেষ হলে ইনস্টল দেন। ইনস্টল হতে 1 মিনিট লাগবে। ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপ ওপেন করেন। ওপেন করার পর দুইটা অপশন পাবেন। একটা হলো লগইন আরেকটা হলো রেজিস্ট্রেশন। যেহেতু আপনার একাউন্ট নাই তাই রেজিস্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করবেন। ক্লিক করার পর ভাষা সিলেক্ট করতে বলবে। আপনি বাংলা সিলেক্ট করেন। তাইলে সব বাংলা দেখাবে। ইংরেজি বুঝতে সমস্যা হবে না। অ্যাপের সাইজ বেশি না। 50MB এর মতো। তাই এমবি কম থাকলেও ডাউনলোড হবে।
মোবাইল নাম্বার দিয়া কিভাবে রেজিস্টার করবা
ভাই CellFin অ্যাপ ওপেন করে রেজিস্ট্রেশন অপশনে ক্লিক করার পর প্রথমেই মোবাইল নাম্বার চাইবে। আপনার নিজের নামে রেজিস্টার করা 11 ডিজিটের নাম্বার দেন। 017, 018, 019 যে কোনো অপারেটর হলেই হবে। নাম্বার দেওয়ার পর নিচে টিক চিহ্ন দিয়ে নেক্সট বাটনে চাপ দেন। সাথে সাথে আপনার মোবাইলে 6 ডিজিটের একটা OTP কোড SMS এ আসবে। কোডটা 2 মিনিটের মধ্যে মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। তাই দ্রুত কোডটা বসায় দেন।
কোড বসানোর পর ভেরিফাই হয়ে যাবে। মোবাইল ভেরিফাই হওয়া মানে আপনার অর্ধেক কাজ শেষ। যদি OTP না আসে তাইলে 2 মিনিট ওয়েট করে রিসেন্ড OTP চাপ দেন। মোবাইলে নেটওয়ার্ক আছে কিনা চেক করেন। এই নাম্বারটাই আপনার একাউন্টের ইউজার নাম হবে। পরে লগইন করতে এই নাম্বারই লাগবে। তাই নাম্বার ভুল দিবেন না। অন্যের নাম্বার দিলে পরে আপনি টাকা তুলতে পারবেন না।
NID কার্ড দিয়া তথ্য কিভাবে দিবা
ভাই মোবাইল ভেরিফাই হওয়ার পর আপনার NID এর তথ্য দিতে হবে। প্রথমে NID নাম্বারের ঘরে 10 বা 17 ডিজিটের নাম্বার লিখেন। 10 ডিজিট হলে সামনে জন্ম সাল বসাবেন। যেমন 2002 সালের হলে 2002xxxxxxxxxx। তারপর জন্ম তারিখ সিলেক্ট করেন। ক্যালেন্ডার থেকে দিন মাস সাল সিলেক্ট করেন। তারপর সাবমিট চাপ দেন। সিস্টেম আপনার NID চেক করবে। 5 সেকেন্ড ওয়েট করেন। NID ঠিক থাকলে আপনার নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, ঠিকানা সব অটো চলে আসবে।
এই তথ্য আপনি চেঞ্জ করতে পারবেন না। কারণ সরকারের সার্ভার থেকে তথ্য আসছে। যদি তথ্য ভুল আসে তাইলে বুঝবেন NID তেই ভুল আছে। তখন নির্বাচন অফিসে গিয়ে NID সংশোধন করতে হবে। NID এর সামনে পিছনের ছবি আপলোড করতে বলবে। ক্যামেরা অন করে ছবি তুলে দেন। ছবি যেন 4 কোনা বরাবর হয়। কাটা ছেড়া NID এর ছবি দিবেন না। ভেরিফাই সাকসেস লেখা আসলে বুঝবেন NID ওকে।
আরো পড়ুন :মোবাইল স্লো হলে দ্রুত ফাস্ট করুন
পেশা আর আয়ের তথ্য কিভাবে দিবা
ভাই NID ভেরিফাই হওয়ার পর আপনার পেশা আর আয়ের উৎস জানতে চাইবে। এটা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম। কালো টাকা যেন ব্যাংকে না ঢুকে তাই এই তথ্য নেয়। পেশার ঘরে আপনি ছাত্র হলে ছাত্র দেন। চাকরি করলে চাকরিজীবী দেন। ব্যবসা করলে ব্যবসায়ী দেন। বেকার হলে গৃহিণী বা অন্যান্য সিলেক্ট করেন। মিথ্যা তথ্য দিবেন না ভাই। আয়ের উৎসের ঘরে বেতন হলে বেতন সিলেক্ট করেন।
ব্যবসা হলে ব্যবসা সিলেক্ট করেন। মাসিক আয় কত ওইটা আনুমানিক লিখেন। যেমন 10 হাজার 20 হাজার। বেশি লিখলে সমস্যা নাই। কম লিখলেও সমস্যা নাই। ব্যাংক আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট চাইবে না। শুধু তথ্যের জন্য জানতে চায়। এই তথ্য ভুল দিলে পরে বড় লেনদেন করতে গেলে ঝামেলা হবে। তাই সত্যি তথ্য দেন। দেওয়ার পর নেক্সট চাপ দেন।
নিজের ছবি আর সাইন কিভাবে আপলোড দিবা
ভাই এখন আপনার নিজের ছবি আর সিগনেচার আপলোড করতে হবে। ক্যামেরা অপশনে ক্লিক করলে আপনার মুখের ছবি তুলতে বলবে। সোজা হয়ে বসেন। পিছনে সাদা দেওয়াল রাখেন। চশমা টুপি খুলে ফেলেন। ক্যামেরা আপনার চোখ দেখে ছবি তুলবে। একবারে না হলে আবার ট্রাই করেন। ছবি ওকে হলে নেক্সট অপশন আসবে সিগনেচারের জন্য। সাদা কাগজে কালো কলম দিয়ে আপনার সিগনেচার করেন।
তারপর ক্যামেরা দিয়ে ছবি তুলে আপলোড দেন। সিগনেচার যেন একটু বড় করে করেন। ছোট করলে পরে বোঝা যাবে না। এই ছবি আর সিগনেচারই আপনার চেক বই আর কার্ডে প্রিন্ট হবে। তাই ভালো করে দেন। আপলোড দেওয়ার পর ছবি দেখে কনফার্ম করেন। ঝাপসা হলে আবার তুলেন। এই স্টেপ পার হলেই আপনার কাজ 80 ভাগ শেষ
নমিনি কিভাবে যুক্ত করবা
ভাই একাউন্ট খুলার সময় নমিনি দেওয়া আইন। নমিনি মানে হলো আপনি মারা গেলে আপনার টাকা কে পাবে ওইটা। তাই নমিনির তথ্য দিতে হবে। নমিনির NID নাম্বার, নাম, জন্ম তারিখ, সম্পর্ক সব দিতে হবে। আপনার বাবা মা ভাই বোন স্ত্রী যে কাউকে নমিনি করতে পারেন। নমিনির NID এর ছবিও আপলোড দিতে হবে। নমিনি 18 এর নিচে হলে তার অভিভাবকের তথ্য দিতে হবে। একজনকে নমিনি করলে 100 ভাগ দেন।
দুইজন করলে 50 50 ভাগ করে দেন। নমিনি ছাড়া একাউন্ট খুলবে না ভাই। তাই বাসার বড় কারো NID নাম্বার আগে থেকে জেনে রাখেন। নমিনির ছবি না থাকলে পরে আপডেট করতে পারবেন। কিন্তু নাম্বার আর নাম মাস্ট লাগবে। তথ্য দেওয়ার পর নেক্সট চাপ দেন। নমিনি আপনার একাউন্টের টাকা তুলতে পারবে না। শুধু আপনি মারা গেলে আইনগতভাবে টাকা পাবে
আরো পড়ুন :ফেসবুক আইডি হ্যাক হলে রিকভার করুন
ভিডিও কলের মাধ্যমে কিভাবে ভেরিফাই করবা
ভাই সব তথ্য দেওয়ার পর লাস্ট স্টেপ হলো ভিডিও ভেরিফিকেশন। এটা খুব সহজ। স্ক্রিনে লেখা আসবে "নিজের মুখ ক্যামেরার সামনে ধরুন"। আপনি ক্যামেরার সামনে মুখ ধরেন। তারপর স্ক্রিনে লেখা আসবে ডানে তাকান, বামে তাকান, উপরে তাকান, নিচে তাকান, মুচকি হাসি দেন। আপনি ওইভাবে মাথা ঘুরাবেন আর হাসি দিবেন। 10 সেকেন্ডের ভিডিও নিবে।
ভিডিও নেওয়ার উদ্দেশ্য হলো আপনি রোবট না আসল মানুষ ওইটা চেক করা। তাই অন্ধকারে ভিডিও করবেন না। আলোতে করেন। চশমা থাকলে খুলে ফেলেন। ভিডিও ওকে হলে লেখা আসবে ভেরিফিকেশন সাকসেসফুল। যদি ভিডিও রিজেক্ট হয় তাইলে আবার ট্রাই করেন। 3 বারের বেশি ভুল করলে 24 ঘন্টা পর ট্রাই করতে হবে। তাই একবারেই ঠিকমতো করেন ভাই।
হিসাব নাম্বার কখন পাবা
ভাই ভিডিও ভেরিফিকেশন ওকে হওয়ার 2 মিনিটের মধ্যে আপনার স্ক্রিনে একাউন্ট নাম্বার চলে আসবে। লেখা আসবে অভিনন্দন আপনার একাউন্ট খোলা সফল হয়েছে। নিচে 17 ডিজিটের একাউন্ট নাম্বার দেখাবে। এই নাম্বারটা আপনি সাথে নোট করে রাখেন। মোবাইলে স্ক্রিনশট মেরে রাখেন। এই নাম্বার দিয়েই আপনি টাকা জমা দিতে পারবেন। বিকাশ নগদ থেকে টাকা আনতে পারবেন।
একাউন্ট খোলার সাথে সাথে আপনার মোবাইলে SMS ও আসবে। SMS এ লেখা থাকবে আপনার একাউন্ট নাম্বার। আবার জিমেইলেও মেইল আসবে। মেইলে সব তথ্য থাকবে। একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে ব্যাংকে যাওয়া লাগবে না। সাথে একাউন্ট একটিভ হয়ে যাবে। 100 টাকাও জমা দেওয়া লাগবে না। জিরো টাকায় একাউন্ট খুলা যায়। তবে কার্ড নিতে চাইলে 200 টাকা কাটবে পরে।
ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড কিভাবে নিবা
ভাই একাউন্ট খোলার সাথে আপনি ফ্রিতে একটা ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড পাবেন। ফিজিক্যাল কার্ড না। মোবাইলের ভিতরেই কার্ড। CellFin অ্যাপে লগইন করে কার্ড অপশনে গেলেই কার্ড দেখতে পারবেন। কার্ডে 16 ডিজিটের নাম্বার, মেয়াদ, CVV কোড সব থাকবে। এই কার্ড দিয়ে আপনি দারাজে কেনাকাটা করতে পারবেন। ফুডপান্ডায় খাবার অর্ডার করতে পারবেন।
ফেসবুকে বুস্ট করতে পারবেন। যেখানে ভিসা কার্ড চায় সেখানেই চলবে। কার্ড একটিভ করতে কোনো টাকা লাগবে না। তবে ATM থেকে টাকা তুলতে চাইলে ফিজিক্যাল কার্ড অর্ডার করতে হবে। ওইটার জন্য 200 টাকা চার্জ কাটবে আর 7 দিন পর ব্যাংক থেকে কার্ড নিতে হবে। কিন্তু অনলাইন কেনাকাটার জন্য ভার্চুয়াল কার্ডই যথেষ্ট ভাই। কার্ডের পিন কোড আপনি নিজে সেট করতে পারবেন অ্যাপ থেকে।
আরো পড়ুন :স্টুডেন্ট ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম
শেষ কথা
ভাই সবশেষে একটা কথা বলি। ইসলামী ব্যাংকের CellFin দিয়ে একাউন্ট খুলা এখন সবচেয়ে সহজ। 10 মিনিট সময় দিলেই আপনার একাউন্ট রেডি। সুদ নাই, ঝামেলা নাই, ঘুষ নাই। ঘরে বসেই সব কাজ। একাউন্ট খোলার পর আপনি অ্যাপ দিয়েই টাকা পাঠাতে পারবেন, বিল দিতে পারবেন, মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন। ব্যাংকে লাইন ধরার দিন শেষ। তবে একটা কথা মনে রাখবেন ভাই।
আপনার ইউজার পাসওয়ার্ড কাউকে দিবেন না। OTP কাউকে বলবেন না। নইলে আপনার টাকা চুরি হয়ে যাবে। একাউন্ট খোলার পর 200 টাকা জমা দিয়ে রাখলে ভালো। নইলে 6 মাস লেনদেন না করলে একাউন্ট বন্ধ হয়ে যাবে। তাই আজকেই CellFin ডাউনলোড করে একাউন্ট খুলে ফেলেন। কোনো সমস্যা হলে আমাকে বলেন। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
জুঁই ম্যাক্সনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url